শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র নির্বাচনে প্রার্থী পরিচিতি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত উচ্চ শিক্ষায় সুযোগপ্রাপ্ত ৮জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান মোবাইল কোর্টের পৃথক অভিযানে ৬টি মামলাসহ অর্থদণ্ড ও অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল বিনষ্ট ছুরিকাঘাতে কিশোর লাদেন নিহত চুরির অপবাদে স্ত্রী-সন্তানের সামনে মারধর; আদালতের তদন্ত ও ব্যবস্থার নির্দেশ বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নকল অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির দায়ে ফার্মেসিকে জরিমানা দুই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন; শ্রদ্ধা ও গার্ড অব অনার প্রদান সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত ‎লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি প্রার্থীরা ব্যস্ত প্রচারণায়
সীমান্ত এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না!

সীমান্ত এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না!

ধর্মীয় গোড়ামি, কুসংস্কার ও অশিক্ষার কারণে লালমনিরহাটের সীমান্তবর্তী এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কোন পদ্ধতিই গ্রহণ না করায় একই পরিবারে জন্ম নিচ্ছে ৫ থেকে ৬টি করে সন্তান।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি শরিয়ত সম্মত নয়, এমন ধারণাতেই কোন পদ্ধতি গ্রহণ না করায় ১জন স্ত্রীর মাধ্যমেই ৫ থেকে ৬টি সন্তানের বাবা হয়েছেন অনেকেই। ধর্মীয় গোড়ামি, কুসংস্কার ও অশিক্ষার কারণে লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার ঘরে ঘরে এখনও সন্তান সংখ্যা ৪ থেকে ৬জন। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কথায় সায় নেই তাদের।

 

আরও অনুসন্ধানে জানা যায়, আল্লাহ যদি সন্তান দেন তো করার কি আছে। যিনি সন্তান দিবেন তিনিই এর আহারের ব্যবস্থা করবেন বলে মন্তব্য করেন অনেকেই। সেই সঙ্গে সন্তান/ গর্ভের সন্তান নষ্ট করা শরিয়ত সম্মত নয়। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি অনেকেই সমর্থন করেন না। আর সীমান্তবর্তী ইউনিয়নের বেশির ভাগ লোক অশিক্ষিত। এ কারণে সীমান্তবর্তী ইউনিয়নগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি। তবে আগের তুলনায় এখন অনেক পরিবর্তন এসেছে। আগে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ করতে অনেকের দ্বিমত থাকলেও এখন তেমনটা নেই। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের জেলা ও উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণে মাঠ পর্যায়ে সঠিকভাবে কাজ না করায় জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির সমাধান হচ্ছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone